Close Menu
Jubokantho24
    Facebook X (Twitter) Instagram Threads
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Jubokantho24
    Jubokantho24
    Home»জাতীয়»মৃত্যুর পর মায়ের লাশে পচন, জানেন না বুয়েট শিক্ষক-সচিবসহ সন্তানেরা
    জাতীয় নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

    মৃত্যুর পর মায়ের লাশে পচন, জানেন না বুয়েট শিক্ষক-সচিবসহ সন্তানেরা

    নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :জুন ২, ২০২৬No Comments2 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    রাজধানীর মিরপুরে একটি আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে নুরজাহান বেগম (৭২) নামে এক বৃদ্ধার পচনধরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত সাত থেকে আট দিন আগে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে।

    রবিবার (৩১ মে) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে মিরপুরের ৬নং সেকশনের সি ব্লকের ১২ নম্বর রোডের ৮ নম্বর বাসায় গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশের তথ্য মতে, বাসাটি ওই বৃদ্ধার মেয়ে। বাসার একটি কক্ষে বৃদ্ধা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে থাকতেন। মা মারা যাওয়ার পরও টের পাননি মেয়ে। মাকে ডাকতে গিয়ে সাড়া না পেয়ে নার্সকে ডাকেন তিনি। ভেবেছিলেন অসুস্থ। নার্স বাসায় এসে রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মৃত। তার শরীরের মাংস বিছানায় খুলে পড়ে আছে।

    বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না। খবর পেয়ে শিক্ষক ছেলে এলেও আসেননি সচিব ছেলে।

    স্থানীয়রা জানান, হয়তো সপ্তাহখানেক আগে মরে পড়ে ছিল বৃদ্ধা। কিন্তু তার মেয়ে ঘরে ঢুকেনি। তার মা কবে মারা গেছেন, জানতেন না তিনি।

    পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রবিবার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন। তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

    ওসি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে।

    পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য মতে, মৃত নুরজাহানের এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের সচিব পদে কর্মরত। আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। তারা কেউ মায়ের সঙ্গে থাকতেন না। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শিক্ষক ছেলে এলেও আসেননি সচিব ছেলে। মেয়েজামাতাও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে জানা গেছে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিউজ ডেস্ক :

    Related Posts

    শাপলার গণহত্যার পর তোফায়েল বলেছিলেন, ‘৫ মে আমরা বিজয়ী হয়েছি’

    জুন ২, ২০২৬

    ঈদের দিন তিন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মে ২৭, ২০২৬

    সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

    মে ২৬, ২০২৬
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    © ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.