Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»গুরুত্বপুর্ণ নিউজ»চীনে কোনো মসজিদে আর গম্বুজ নেই
গুরুত্বপুর্ণ নিউজ নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

চীনে কোনো মসজিদে আর গম্বুজ নেই

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :মে ২৭, ২০২৪No Comments3 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email
Logo
EN 
Logo

আন্তর্জাতিক

চীনে কোনো মসজিদে আর গম্বুজ নেই

Icon

আউটলুক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৪:৪৫ পিএম

79Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
sms sharing button
sharethis sharing button
চীনে কোনো মসজিদে আর গম্বুজ নেই

চীনের বিরুদ্ধে উইঘুর মুসলিম নির্যাতন, মসজিদ বন্ধ ও রোজা রাখতে বাধা দেওয়াসহ ইসলাম বিরোধী নানা অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। ইতিমধ্যে দেশটি শত শত মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে। আবার কোথাও কোথাও মসজিদের ব্যাপক অবকাঠামো ব্যাপক পরিবর্তন করেছে। এবার চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশে আরব ধাঁচে নির্মিত একমাত্র অবশিষ্ট শাদিয়ান গ্র্যান্ড মসজিদের গম্বুজ ও মিনার অপসারণ করা হয়েছে। সেখানে যুক্ত করা হয়েছে চীনা ধাঁচের ছাদ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মধ্যদিয়ে চীনে মুসলমানদের উপাসনালয়গুলোকে চাইনিজ স্টাইলে করার জন্য একটি সরকারি প্রচারণা সমাপ্ত হলো।

সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববীর মতো করে শাদিয়ান গ্র্যান্ড মসজিদটির নকশা করে তৈরি করা হয়েছিল। এটিতে তিনটি প্রার্থনা কক্ষ এবং ১০ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতা রয়েছে। গত বছর পর্যন্ত ২১ হাজার বর্গমিটারের মসজিদ ভবনের ওপরে টাইলসের সবুজ গম্বুজ ছিল। একটি অর্ধচন্দ্র, চারটি ছোট গম্বুজ ও উঁচু মিনারের সমন্বয়ে সজ্জিত ছিল এটি। ২০২২ সালের স্যাটেলাইট চিত্রেও দেখা যায়, মসজিদের প্রবেশপথটি উজ্জ্বল কালো টাইলস দিয়ে তৈরি একটি বড় অর্ধচন্দ্র এবং তারা দিয়ে সজ্জিত।

আর এ বছরের দেখা যায়, মসজিদের গম্বুজটি সরানো হয়েছে। সেখানে চীনা স্টাইলের প্যাগোডার ছাদ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। মিনারগুলো ছোট করে প্যাগোডা টাওয়ারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। কেবল অর্ধচন্দ্র এবং তারা টাইলসের একটি ক্ষীণ চিহ্ন দৃশ্যমান রয়েছে, যা একসময় মসজিদের সামনের ছাদকে চিহ্নিত করেছিল।

এদিকে সম্প্রতি শাদিয়ানের পাশে অবস্থিত ইউনানের আরেক ঐতিহাসিক মসজিদ নাজিয়াং-এও সম্প্রতি সংস্কার করা হয়েছে। সেখান থেকেও ইসলামিক বৈশিষ্ট্যগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
আগে

পরে

জানা গেছে, ২০১৮ সালে চীন সরকার ‘ইসলামের সিনিফিকেশন’ নিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করে। পরিকল্পনার একটি অংশ ছিল ‘বিদেশি স্থাপত্যশৈলী’ প্রতিরোধ করা এবং ইসলামী স্থাপত্যগুলো চীনা বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ করা। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ফাঁস হওয়া একটি মেমোতে দেখা গেছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ‘আরও ভেঙে ফেলার এবং কম নির্মাণের নীতি মেনে চলার’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ববিদ রুসলান ইউসুপভ বলেন, এই বড় দুটি মসজিদ চীনা ‘ইসলামের সিনিফিকেশন’ অভিযানের সাফল্যকে নির্দেশ করে। গ্রামে থাকা আরব রীতির ছোট ছোট মসজিদ অবশিষ্ট থাকলেও স্থানীয় সম্প্রদায়ের পক্ষে সিনিকাইজেশনের বিরোধিতা করা কঠিন হবে।

চীনের প্লাইমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ইতিহাসের শিক্ষক ও ইতিহাসবিদ হান্নাহ থেকার বলেন, মসজিদ সিনিকাজেশন অভিযান ‘প্রদেশ বাই প্রদেশ’ এগিয়ে গেছে। বেইজিংয়ের অন্যতম দূরবর্তী প্রদেশ ইউনানকে সর্বশেষ সিনিকাজেশন অভিযান চালানো হয়েছে।

মসজিদগুলোর পুনঃনির্মাণের বিরোধিতাকারী একজন হুই মুসলিম বলেন, শাদিয়ান মসজিদ শুধু শাদিয়ান নয়, সব মুসলমানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা একটা বড় ক্ষতি।

চীন ছেড়ে চলে যাওয়া এক মুসলিম নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা কেবল আমাদের শেষ মর্যাদাটুকু রক্ষা করতে চেয়েছিলাম। কারণ, শাদিয়ান ও নাজিয়াইং ছাড়া দেশের প্রতিটি মসজিদকে নতুন করে সাজানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে চীন সরকার উইঘুরদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ অভিযান শুরু করে, যারা মূলত জিনজিয়াংয়ের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বাস করে। নীতিগুলোর মধ্যে নিপীড়নমূলক নজরদারি ব্যবস্থা এবং ইসলামী বিশ্বাসের বিস্তৃত প্রকাশের জন্য কঠোর শাস্তি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই অভিযানের ফলে শেষ পর্যন্ত প্রায় এক মিলিয়ন উইঘুর এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু বিচারবহির্ভূত আটক বা বন্দির শিকার হয়। জাতিসংঘ সে সময় বলেছিল, এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হতে পারে। চীন সরকার চরমপন্থা ও বিচ্ছিন্নতাবাদ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় বলে তার নীতির পক্ষে সাফাই গেয়েছে।

আর ২০১৮ সাল থেকে ইসলামি স্থাপত্যের ওপর আনুষ্ঠানিকভাবে চীন সরকারের অভিযানের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। গত বছর ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৮ সাল থেকে চীনজুড়ে ২ হাজার ৩০০টি মসজিদের তিন-চতুর্থাংশ পরিবর্তন বা ধ্বংস করা হয়েছে। গত বছর নাজিয়াইং মসজিদে পরিকল্পিত সংস্কারের প্রতিবাদে শত শত পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। অবশেষে বিক্ষোভ দমন করা হয় এবং সংস্কার কাজ এগিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

অক্সফোর্ড ইউনিয়ন ভাড়ার হল নয় বলে—সাদিক-হাসনাত ইস্যুতে যে ব্যাখ্যা দিলেন ‘অক্সফোর্ড প্যারেন্ট’

জুন ১৫, ২০২৬

শরিয়াহর ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ছে ইমারাতে ইসলামিয়া

জুন ১৫, ২০২৬

৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ফিলিপাইন

জুন ১৫, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.