
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে তাকে সালাম দেওয়া কিংবা নৈকট্য লাভে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আবিদুল ইসলাম খানসহ অনেক নেতাকেই দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে দেখা যায়। এ নিয়ে কেউ কেউ বিভিন্ন সময় ট্রলও করে থাকেন। তবে এ বিষয়ে জবাব দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর।
তিনি বলেছেন, আমরা রাকিব, আবিদ. নয়নদের ছেলেমানুষি নিয়ে ট্রোল করি, আসলে তারা দৌড়ায় মনের ভিতরে লালন করা জিয়া পরিবারের প্রতি আনুগত্য থেকে, নিঃশর্ত ভালবাসে প্রিয় নেতাকে। এই দৌড় স্বার্থহীন আবেগের সিম্পল বহিপ্রকাশ মাত্র।
গতকাল রবিবার (২৪ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
পাঠকদের জন্য আসিফ আকবরের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জাতীয়তাবাদী সরকারের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। জিয়া পরিবার বাংলাদেশের মা মাকড়সা, সাধারনত মাকড়সার সন্তানরা তাদের মা’কে খেয়েই বেঁচে থাকার প্রথম ধাপ অতিক্রম করে। দেশপ্রেমিক শহীদ জিয়া প্রান দিলেন, বেগম খালেদা জিয়া উনার আপসহীনতায় কাটালেন একটা করুন সংগ্রামী জীবন, নির্যাতিত নির্বাসিত তারেক রহমান হাল ধরেছেন দেশের। বাবা মা ভাই হারিয়ে নিজের স্ত্রী কন্যাকে নিয়ে আছেন বিশাল শূন্যতার আকাশে একজন নিঃসঙ্গ সংসপ্তক হয়ে।’
‘একদিকে প্রধানমন্ত্রী নিজের কর্মকান্ড দিয়ে দেশের মানুষের মন জয় করেন, অন্যদিকে পার্টির কিছু স্যুটেড বুটেড এলিট সম্পদ ক্ষমতা আর বিলাসী জীবন নিয়ে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে জনগনের সাথে করছে প্রতারনা। মাল্টিপল ভিসা লাগানো আছে তাদের পাসপোর্টে, এবার আর জেলে যেতে হবেনা, ফ্যাসিস্টের কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়েছে, তারা জানে আখের গুছিয়ে কিভাবে বিদেশ পালিয়ে যেতে হয়।’
‘এই যে আমরা রাকিব, আবিদ. নয়নদের ছেলেমানুষি নিয়ে ট্রোল করি, আসলে তারা দৌড়ায় মনের ভিতরে লালন করা জিয়া পরিবারের প্রতি আনুগত্য থেকে, নিঃশর্ত ভালবাসে প্রিয় নেতাকে। তাদের ব্যবহার করে সেফ সাইডে চলে যায় স্বার্থান্বেষী মহল। এই দৌড় স্বার্থহীন আবেগের সিম্পল বহিপ্রকাশ মাত্র। তাদের দৌড় নিয়ে ব্যস্ত সোশ্যাল মিডিয়া, ফাঁকে চেটেপুটে খাচ্ছে ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়া সর্বভূকের দল। দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নিহত, আহত, গুম হওয়া, জেল খেটে সর্বস্ব হারানো সাচ্চা জাতীয়তাবাদীরা দলে আজ অপাংক্তেয়। বেনিফিশিয়ারি এলিটগণ বস্তুতঃ মাকড়সা কাহিনীর মা খেকো বাচ্চা। বিএনপি কেন এক টার্মের বেশী ক্ষমতায় থাকতে পারেনা জানেন! জানার চেষ্টা করুন। দৈনিক মানব জমিনে একটা সময় বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছি। মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী আমাকে বলেছিলেন- বিএনপি’র যত কাছে যাবেন, ততো রক্তাক্ত হবেন। মাত্র তিনমাস বয়সী সরকার চলছে, বিএনপি’তে নতুন সমর্থক বাড়েনি একজনও, তবে কমেছে অনেক। চলিতেছে মাতৃবধ সিনেমার শুটিং। ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় মতি ভাই…। ভালবাসা অবিরাম…।’
