Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»আন্তর্জাতিক»কে জিতল— ইরান, ইসরায়েল, নাকি ট্রাম্প?
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

কে জিতল— ইরান, ইসরায়েল, নাকি ট্রাম্প?

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :জুন ২৫, ২০২৫No Comments6 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

ইরান ও ইসরায়েলের ১২ দিনের ভয়াবহ সংঘাতের পর ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বিশ্বজুড়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে। এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে একটি বৃহত্তর যুদ্ধ আশঙ্কার জন্ম দিয়েছিল, বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর অধীনে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। যদিও যুদ্ধবিরতির মাত্র কয়েক মিনিট আগেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলি শহরগুলোতে আঘাত হেনেছিল। তবে এটিকে তেহরানের শেষ মুহূর্তের শক্তিমত্তার পরীক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে।

এই সংঘাত, বিশেষ করে শেষ ১২ ঘণ্টা ছিল অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ভরা। গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সংঘাতে যোগদানের বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বললেও, দুইদিন পরেই (২২ জুন) মার্কিন বি-২ বোমারু বিমান ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়, যা এই ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে বড়ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে।

এর পর সোমবার (২৩ জুন) রাতে ইরান কাতারে অবস্থিত মার্কিন আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে বোমা হামলা চালায়, যা আঞ্চলিক সংঘাতকে বৈশ্বিক রূপ নেওয়ার ভয় জাগিয়ে তোলে। নাটকীয়ভাবে, এর পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, তেল আবিব ও তেহরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির পর তিন পক্ষের ‘বিজয়’

আকর্ষণীয় বিষয় হলো, এই যুদ্ধবিরতি এখন যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং ইসরায়েল— এই তিন পক্ষকেই জয়ের দাবি করার সুযোগ করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করতে পারে যে, তারা ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। আর ইসরায়েল তেহরানকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করার কৃতিত্ব নিতে পারে। ইরান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং পিছু না হটার বড়াই করতে পারে। আধুনিক যুদ্ধে অভ্যন্তরীণ বার্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বর্তমানে তিনটি দেশের প্রচারযন্ত্রই তাদের জনগণকে নিজ নিজ দেশের জয় সম্পর্কে বোঝাতে পূর্ণোদ্যমে কাজ করছে।

সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে ট্রাম্প সমালোচিত হতে থাকেন। ভূ-রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াও একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে ক্ষতি হতো। কারণ, তিনি প্রায়ই তার পূর্বসূরিদের ‘চিরন্তন যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনার জন্য সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প জানতেন তেহরানের জন্য ক্রমবর্ধমান পথ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটি বেরিয়ে যাওয়ার পথ প্রয়োজন ছিল, যাতে তারা অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয় সমর্থন না হারায়। তাই, ইরান কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর— একটি সতর্কতার পর— ট্রাম্প পালটা হামলা না করার সিদ্ধান্ত নেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি তাৎপর্যপূর্ণ পোস্টে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করেন।

এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সৈন্য হারায়নি, তাদের সামরিক শক্তি পর্যাপ্তভাবে প্রদর্শন করেছে এবং শান্তি স্থাপনের কৃতিত্ব দাবি করেছে— এটি আসলে উভয়পক্ষের জয় পরিস্থিতি। অন্যদিকে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় লাভ ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে যোগ দেওয়া। দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতকে ইরান বনাম ইসরায়েল হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছিল এবং এতে যোগ দিতে অনিচ্ছুক ছিল।

‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর মাত্র নয় দিন আগে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের পদক্ষেপ ‘একতরফা’ এবং যুক্তরাষ্ট্র এতে ‘জড়িত নয়’। কিন্তু পরবর্তী দিনগুলোতে ট্রাম্প মার্কিন অবস্থান পরিবর্তন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে একটি একক সত্তা হিসেবে উল্লেখ করেন।

ইরানে মার্কিন বিমান হামলা শুধু তেহরানকে নয়, বিশ্বকেও দেখিয়ে দিয়েছে যে, ওয়াশিংটন তেল আবিবের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক ভাবমূর্তি বৃদ্ধি ছাড়াও, এই প্রদর্শন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে অভ্যন্তরীণভাবেও উপকৃত করবে। কারণ, তিনি আগামী বছরের জন্য নির্ধারিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলেও সাম্প্রতিক সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। যদিও সবপক্ষ দ্রুত বিজয় ঘোষণা করেছে। তবে, তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি চলমান উত্তেজনা ও ইরানের পারমাণবিক উপকরণ সম্পর্কে অমীমাংসিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো সামনে এনেছে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখনো বিপজ্জনক

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি ছিল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়ে গেছে এবং তা পুনর্গঠিত হবে না। নেতানিয়াহুও এই দাবিকে সমর্থন করেছেন। ইসরায়েলি ও মার্কিন বোমারু বিমানগুলো ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রগুলোতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ধ্বংসাবশেষ এবং ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর স্থানে বিশাল গর্ত দেখা গেছে।

স্যাটেলাইট চিত্র এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মূল্যায়ন ইরানের বেশ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইরানের প্রাথমিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নাতানজ এবং একটি পাহাড়ের ভেতরে নির্মিত সুরক্ষিত প্ল্যান্ট ফোরডো-তে মাটির ওপরে ও নিচে উভয় চেম্বারেই উল্লেখযোগ্য ধ্বংসযজ্ঞ দেখা গেছে।

আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি উল্লেখ করেছেন, ‘বাঙ্কার-বাস্টিং বোমাগুলো সমৃদ্ধকরণ হলগুলোতে পুরোপুরি প্রবেশ না করলেও, চরম কম্পনের কারণে সংবেদনশীল সেন্ট্রিফিউজগুলোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইসফাহানের অন্যান্য পারমাণবিক স্থাপনাগুলোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

এই সংঘাত থেকে উদ্ভূত একটি বড় উদ্বেগ হলো ইরানের ৪৫০ কেজি ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কোথায়? এই উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যদি ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা হয়, তাহলে প্রায় ১০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। ইসরায়েলি হামলার আগে আইএইএ এই উপাদানটি দূরবর্তী নজরদারির অধীনে রেখেছিল। তবে, হামলার পর থেকে সংস্থাটি এর হদিস হারিয়ে ফেলেছে।

ইরানের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, হামলার আগেই ইউরেনিয়াম মজুদ সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্বীকার করেছেন, ওয়াশিংটন ইউরেনিয়ামের অবস্থান জানে না। এবিসির ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ‘আগামী সপ্তাহগুলোতে আমরা সেই জ্বালানি নিয়ে কিছু করার চেষ্টা করব এবং ইরানিদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করব।’

বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে সতর্কবাণী উচ্চারণ করছেন। জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রলিফারেশন স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক ইয়ান স্টুয়ার্ট এটিকে একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ‘কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস’র পারমাণবিক নীতি কর্মসূচির সহ-পরিচালক জেমস অ্যাক্টন পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেছেন, ‘এটা কতটা বড় ব্যাপার তা বলা কঠিন… এই যুদ্ধ পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধের জন্য বিপর্যয়কর প্রমাণিত হতে পারে।’

ভবিষ্যৎ অজানা

পারমাণবিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইরান তুলনামূলকভাবে সহজেই ৬০ শতাংশ উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্টককে অস্ত্র-গ্রেডের উপাদানে রূপান্তর করতে পারে। ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক চুক্তি হতে বেরিয়ে আসার পর থেকে ইরানের কিছু সেন্ট্রিফিউজ যন্ত্রাংশের হিসাব আইএইএ রাখতে পারেনি। সমৃদ্ধকরণের চূড়ান্ত ধাপটি হামলা না হওয়া নাতানজের খনন করা স্থাপনায় বা অন্য কোনো বেনামি শিল্প ভবনে করা যেতে পারে।

সিএনএস অধ্যাপক জেফরি লুইস অনুমান করেছেন, ইরান যদি বোমা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়, তবে একটি ছোট পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য পর্যাপ্ত ফিসাইল উপাদান তৈরি করতে প্রায় পাঁচ মাস সময় লাগবে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইএইএ আগে জানিয়েছিল, ইসরায়েলি হামলার আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ওয়ারহেড তৈরির নির্দেশ দেননি। তবে, সাম্প্রতিক বোমা হামলা এই ভাবনা পরিবর্তন করতে পারে, যা তাকে শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য করতে পারে যে কেবল একটি পারমাণবিক অস্ত্রই ইরানের শত্রুদের আটকাতে পারবে।

সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন আগে সতর্ক করেছিলেন, ট্রাম্পের হামলা অনিচ্ছাকৃতভাবে ইরানকে ‘বোমার দিকে ছুটতে’ উৎসাহিত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বারবার হামলা চালিয়ে ইরানের পারমাণবিক কাজ ধ্বংস করার ওপর নির্ভর করতে পারে। তবে এটি চুক্তির মাধ্যমে নজরদারির চেয়ে অনেক বেশি সহিংস ও ঝুঁকিপূর্ণ।

যদিও ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তিশালী গোয়েন্দা সক্ষমতা এবং সামরিক আধিপত্যের ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে ইরানের যেকোনো পারমাণবিক কাজকে ধ্বংস করার জন্য বারবার হামলা চালাতে পারে। তবে, এটি ওবামা প্রশাসনের অধীনে আইএইএ দ্বারা যাচাই ও পর্যবেক্ষণ করা চুক্তির চেয়ে পারমাণবিক বিস্তার রোধের জন্য অনেক বেশি সহিংস এবং ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি।

যদি বর্তমান ইরান সরকারকে পশ্চিমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বিকল্প সরকার দ্বারা প্রতিস্থাপিত করা যেত, তবে পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হতো। ইরানের শাসন পরিবর্তন ট্রাম্প ওনেতানিয়াহুর সরকারের একটি স্পষ্ট যুদ্ধ লক্ষ্য ছিল। তবে, এখন পর্যন্ত ইরানি ধর্মতান্ত্রিক শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না।

যদিও ইরানের জনগণের একটি বড় অংশ ধর্মতান্ত্রিক শাসনকে খুব একটা পছন্দ করে না। যদিও বোমা হামলার কারণে আপাতত ইরানি জনগণের ক্ষোভ তাদের শাসকদের প্রতি বিতৃষ্ণাকে ছাপিয়ে গেছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাইরের আক্রমণের মুখে শাসন দুর্বলতায় মারাত্মক ফাটল সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মসজিদে নামাজ নিষিদ্ধ করল ভারত

জুলাই ১২, ২০২৬

বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে আফগানিস্তানের শোক

জুলাই ১২, ২০২৬

হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করলো ইরান

জুলাই ১২, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.