Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»আন্তর্জাতিক»খামেনির বিদায়ে এত বড় আয়োজন কেন করছে ইরান
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

খামেনির বিদায়ে এত বড় আয়োজন কেন করছে ইরান

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :জুলাই ৩, ২০২৬No Comments2 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত প্রায় চার দশক ধরে ইরানের রাজনীতি, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি কেবল একজন রাষ্ট্রপ্রধান নন, বরং দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং ইসলামী বিপ্লবের প্রধান অভিভাবক ছিলেন। তার বিদায়কে ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং একটি যুগের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরান সরকার এই বিশাল শোকানুষ্ঠানকে জাতীয় ঐক্যের প্রদর্শনী হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চায়। কোম শহরের জুমার খতিব আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ সাঈদী একে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতি আরেকটি গণভোট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজিশকিয়ান বলেছেন, জনগণের এই বিশাল উপস্থিতি হবে সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দমননীতির বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ জবাব এবং এটি প্রমাণ করবে যে ইরানিরা তাদের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।

এই শোকানুষ্ঠান কেবল ইরানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিবেশী ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালাতেও এর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে শিয়া বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা অংশ নেবেন। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছে।

এই বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে তেহরান বিশ্বকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যে, নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটলেও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি অটুট রয়েছে। এটি নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির নেতৃত্বের জন্য প্রথম বড় পরীক্ষা এবং তার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণের একটি মঞ্চ। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই উপস্থিতি শত্রুদের জানিয়ে দেবে যে শহীদ নেতার পথ থেমে যায়নি, বরং নতুন নেতৃত্বের অধীনে তা আরো শক্তিশালী হবে।

সরকার এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চায় যে, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পুরোদমে সক্রিয় এবং জনগণের পূর্ণ সমর্থন তাদের সাথে রয়েছে। কোটি কোটি মানুষের সমাগম ঘটিয়ে ইরান তার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক শক্তি এবং ধর্মীয় সংহতি প্রদর্শন করতে চায়।

খামেনির বিদায়ী আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় কৃত্য নয়, বরং এটি ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন নেতৃত্বের বৈধতা নিশ্চিত করার একটি বড় কৌশল।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

তুরস্কের কাছে আমেরিকার এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির তীব্র বিরোধিতা নেতানিয়াহুর

জুলাই ৬, ২০২৬

দক্ষিণ ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ দাবানল, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে হাজারো মানুষ

জুলাই ৬, ২০২৬

শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গায় নিহত বেড়ে ২৫

জুলাই ৬, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.