জনগণের শান্তি নষ্ট করে হরতাল করার সুযোগ দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের শান্তি নষ্ট করে হরতাল করার সেই সুযোগ আমরা কাউকে দেব না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াতের নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদের দোসর বলে, তারই ফ্যাসিবাদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছে। যারা স্বৈরাচারের সাথে ঢাকার বাইরে মিটিং করে তারা জনগণের জন্য কখনো কাজ করে না। যারা ৭১, ২০০৮ সালে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে, তারা ২০২৬ সালেও মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেস্টা করছে। তাদের বিষয সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের মানুষের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেবে না বিএনপি। ১৭৩ দিন হরতালের সুযোগ দেব না।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড হাজার থেকে লাখ লাখ, এরপর লাখ লাখ থেকে কোটিতে পৌঁছাবে। এছাড়া বন্ধ অনেক কল-কারখানা কয়েক মাসের মধ্যে চালু করবে সরকার। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছে, তারা এখন বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বলে। যারা বক্তব্যে জোরে জোরে কথা বলে তারাই ফ্যাসিবাদের সাথে এখন বিভিন্ন জায়গায় মিটিং করছে। বিএনপির নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা দেশের কিছু মানুষ ও দল বাধাগ্রস্তের চেস্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, মা-বোনদের শিক্ষিত করার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা মেট্রিক পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। তার অসমাপ্ত কাজ পূরণের লক্ষ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করব।’

জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহেদ আলম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ প্রমুখ। দুপুর আড়াইটায় সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে শার্শায় উলশী খাল পুনঃখনন, হরিনারবিলে পাঁচশ শয্যার যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন এবং দড়াটানায় যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

Jubokantho24 Ad
এ জাতীয় আরো সংবাদ
এ জাতীয় আরো সংবাদ