Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে হাত দেওয়ার দুঃসাহস ভারতের চরমপন্থী ‘বঙ্গসেনা’র!

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :আগস্ট ৩১, ২০২৬No Comments3 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় সম্প্রতি উসকানিমূলক মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করেছে ‘বঙ্গসেনা’ নামের একটি কট্টর হিন্দুত্ববাদী উগ্রপন্থী সংগঠন। বাংলাদেশ ভেঙে বিতর্কিত ‘বঙ্গভূমি’ গঠনের দাবিতে আয়োজিত এ মিছিলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী নানামুখী স্লোগান দেওয়া হয়। সংগঠনটির নেতারা বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড দাবির পাশাপাশি এ দেশের ভেতরের উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ও বিতর্কিত সংগঠনের সাথে সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করেছে, যা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তায় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার রাজপথে আবারও প্রকাশ্য উসকানিমূলক তৎপরতায় মেতে উঠেছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী উগ্রপন্থী সংগঠন ‘বঙ্গসেনা’। ভারতের বুক থেকে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অখণ্ডতার ওপর আঘাত হানার লক্ষ্যে তারা মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

উসকানিমূলক এই মিছিলে চরমপন্থীদের উচ্চকণ্ঠে স্লোগান দিতে দেখা যায়-‘বঙ্গসেনা দিচ্ছে ডাক, বাংলাদেশকে কর ভাগ’ এবং ‘পদ্মা-মেঘনা-যমুনা, ওই আমাদের ঠিকানা’। মিছিলটিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গেরুয়া পোশাক পরা নারীদেরও সামনের সারিতে রাখা হয়, যাদের হাতে ছিল বাংলাদেশবিরোধী ব্যানার ও উসকানিমূলক পোস্টার।

এই চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী তাদের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতার নাম দিয়েছে ‘বঙ্গভূমি’ আন্দোলন। সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে পার্থ সামন্ত, তথাকথিত ‘সেনাধ্যক্ষ’ হিসেবে নারায়ণ দাস এবং প্রধান মুখপাত্র হিসেবে সুভাষ মজুমদারের নাম উঠে এসেছে।

সাম্প্রতিক চাঞ্চল্যকর এক প্রক্রিয়ায় সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ দুই নেতা নারায়ণ দাস ও সুভাষ মজুমদার স্বীকার করেছে যে, বাংলাদেশের ভেতরে সক্রিয় একাধিক উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল ও গোষ্ঠীর সাথে তাদের প্রত্যক্ষ ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের বিতর্কিত ও বিতর্ক সৃষ্টি করা সংগঠন ‘হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’-এর নেতাদের সাথেও তাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে চরমপন্থী সুভাষ মজুমদার। চরমপন্থীদের এই উসকানিমূলক যোগসাজশের বিষয়টি প্রকাশ পেলে বাংলাদেশে অবস্থানরত ওই সব বিতর্কিত সংগঠনের নেতারা চরম রাজনৈতিক ও আইনি সংকটে পড়তে পারেন বলেও সে সতর্কবার্তা দেয়।

সংগঠনটির তথাকথিত ‘প্রেসিডেন্ট’ পার্থ সামন্তের অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র সুভাষ জানায়, আইনি ও কৌশলগত নানা কারণে সে বর্তমানে আত্মগোপনে অবস্থান করছে এবং আপাতত প্রকাশ্যে আসতে রাজি নয়।

বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চরম মিথ্যাচার ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে উগ্রপন্থী মুখপাত্র দাবি করে, “বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তাই আমরা স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি তুলছি।” সে অবান্তর দাবি জানিয়ে বলে, বাংলাদেশের সাবেক ৬টি জেলা-ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, পটুয়াখালী, কুষ্টিয়া ও বরিশাল-যেগুলো পদ্মা ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত, সেগুলোকে হিন্দুদের হস্তান্তর করতে হবে। বঙ্গসেনার দাবি, তারা বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে, যার অজুহাতে তারা বাংলাদেশকে বিভক্ত করে হিন্দুদের জন্য তথাকথিত ‘বঙ্গভূমি’ গঠনের দাবি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উত্থাপন করছে। এমনকি এ বিষয়ে তারা জাতিসংঘেও চিঠি পাঠিয়েছে বলে দাবি করা হয়।

হুমকির সুরে উগ্রপন্থী মুখপাত্র সুভাষ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তাদের অবান্তর দাবি মেনে নেওয়া না হলে ‘বঙ্গসেনা’ লক্ষ্য অর্জনে যে কোনো সশস্ত্র বা সহিংস পন্থা অবলম্বন করতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করবে না।

পরবর্তীতে অপর এক ফোনালাপে তাদের চরমপন্থী অবস্থানের আরও বিস্তৃতি ঘটিয়ে তারা বাংলাদেশের মোট ২১টি জেলাকে নিজেদের তথাকথিত বঙ্গভূমির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানায়। ভারতের ভূরাজনৈতিক স্বার্থের কথা উল্লেখ করে কৌশলগত ‘চিকেনস নেক’ করিডোরের নিরাপত্তার অজুহাতে তারা রংপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী জেলাকেও নিজেদের ভৌগোলিক দাবির তালিকায় যুক্ত করার উসকানি দেয়। আন্তর্জাতিক সার্বভৌম আইনকে তোয়াক্কা না করে তারা বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের এক-তৃতীয়াংশ দাবি করে বসে। ঐতিহাসিক সত্যকে বিকৃত করে সুভাষ দাবি করে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ জমি নাকি একসময় হিন্দুদের মালিকানায় ছিল, যার প্রেক্ষিতে তারা কেবল এক-তৃতীয়াংশ ভূমি দাবি করছে।

এদিকে অপর এক সরাসরি টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বঙ্গভূমির ‘সেনাধ্যক্ষ’ নারায়ণ দাস স্বীকার করে যে, ভারতের আসাম রাজ্যের কার্বি আংলং জেলায় বঙ্গসেনার প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত। এছাড়া ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ের মতো ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও এই উগ্রপন্থী সংগঠনের সক্রিয় নেটওয়ার্ক ও শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। তবে তাদের এই সশস্ত্র ক্যাডারদের কোথায় সামরিক বা গোপন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়-সংবাদদাতার এমন প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে কৌশলগত কারণে তা গোপন রাখে উগ্রপন্থী এই নেতা।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে বসে এ ধরনের প্রকাশ্য বিচ্ছিন্নতাবাদী উসকানি ও হুমকি দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং যেকোনো অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সচেতন আন্তর্জাতিক মহল ও কূটনৈতিক অঙ্গনে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

তামিলনাড়ুতে মুসলিম নারীদের উচ্চশিক্ষার পুরো খরচ বহনের ঘোষণা, নতুন মহিলা কলেজ ও সুদমুক্ত ঋণের উদ্যোগ

আগস্ট ৩১, ২০২৬

আসামের কাছাড় কলেজে হিজাব পরায় মুসলিম ছাত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ

আগস্ট ৩১, ২০২৬

ইসলামকে বিজ্ঞানভিত্তিক ও শ্রেষ্ঠ ধর্ম বললেন ভারতের হিন্দু মন্ত্রী

আগস্ট ৩১, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.