Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»সারাদেশ»ভারত থেকে আসা পানির ঢলে উত্তরের চার জেলায় বন্যার আশঙ্কা
সারাদেশ নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

ভারত থেকে আসা পানির ঢলে উত্তরের চার জেলায় বন্যার আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :জুন ২২, ২০২৬No Comments5 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

চলমান বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে আসা পানির ঢলের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলের চার জেলায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তিস্তাসহ তিন নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গতকাল রোববার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিনদিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় এসব নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি বাড়লেও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদী ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (রংপুর) ও তারাপুর (গাইবান্ধা) পয়েন্টে, সুরমা নদী কানাইঘাট (সিলেট), ছাতক (সুনামগঞ্জ) ও সুনামগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) পয়েন্টে, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) পয়েন্টে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী এবং রংপুর ও সিলেট বিভাগে মাঝারি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভারতের মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ ও অরুণাচলে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে।

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী তিনদিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতি ভারী এবং পরবর্তী দুদিন মাঝারি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এতে ওই চার জেলা ছাড়াও সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্নস্থানে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে যমুনার পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। নদ-নদীগুলোর পানি সমতল আগামী পাঁচদিন বৃদ্ধি পেলেও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং পরবর্তী তিনদিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে পদ্মার পানি সমতল আগামী দুদিন স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী তিনদিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিনদিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় এসব নদী সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামে বন্যার আশঙ্কা

কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলার পানি সকাল ৬টায় ২৪ দশমিক ২ মিটার থেকে বেড়ে সকাল ৯টায় ২৪ দশমিক ৫ মিটারে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ এলাকায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি সকাল ৬টায় ২৮ দশমিক ৩৫ মিটার থেকে বেড়ে সকাল ৯টায় ২৮ দশমিক ৩৯ মিটারে পৌঁছেছে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সকাল ৬টায় ২৩ দশমিক ৭৬ মিটার থেকে বেড়ে সকাল ৯টায় ২৩ দশমিক ৭৭ মিটারে পৌঁছেছে। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২১ দশমিক ৪০ মিটার থেকে বেড়ে ২১ দশমিক ৪১ মিটারে দাঁড়িয়েছে। তবে এ এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। অন্যদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমেছে।

নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চল ও নদীপাড়ের মানুষের মাঝে কিছুটা আতঙ্ক দেখা গেছে। বন্যার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

চিলমারীর নয়ারহাট চরের হালিমা খাতুন বলেন, ‘নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া দেখেই আমরা বুঝতে পারি বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই গৃহপালিত পশু ও নিজেদের সুরক্ষার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

কুড়িগ্রাম পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পানির ঢলের প্রভাবে কয়েকটি নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। তবে পানি বেশি দিন স্থায়ী হবে না। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদীর পানি

টানা বৃষ্টি ও ভারতের পানির ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানির ঢেউয়ে শত শত বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে। এছাড়া হাটবাজার, রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

জানা গেছে, তাহিরপুরের আনোয়ারপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক ডুবে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। মাঠিয়ান হাওরে বাড়িঘরের সামনে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। যেকোনো সময় পানিতে তলিয়ে যেতে পারে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি। বড়ছড়া সীমান্তে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। সদর উপজেলার মঙ্গলকাটা বাজারসহ কয়েকটি বাজারে পানি ঢুকে পড়েছে। খাসিয়ামারা নদীর দুকূল উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকছে।

এছাড়া সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল এবং হাওর তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, সুরমা, বৌলাই, যাদুকাটা ও রক্তি নদীর পানি ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি ৪০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্লাবিত সাদাপাথর, সাময়িক বন্ধ

ভারত থেকে আসা পানির ঢলে প্লাবিত হয়েছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র। রাত থেকে টানা বৃষ্টি আর পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢেলে পানির নিচে তলিয়ে যায় পর্যটন কেন্দ্রটি। যার ফলে সাদাপাথরে পর্যটক যাতায়াত সাময়িক বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে সাদাপাথর পর্যটন স্পট ২১ জুন হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

শনিবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি আর ভারত থেকে আসা ঢেলে রবিবার ভোরে প্লাবিত হয় সাদাপাথর।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের সাদাপাথরে যাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে। স্রোত কমে গেলে এবং আবহাওয়া স্থিতিশীল হলে পুনরায় পর্যটনকেন্দ্রটি খুলে দেওয়া হবে।

সূত্র: আমার দেশ

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

ট্রেনে নিচে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

জুন ২৩, ২০২৬

১৩ জেলায় ঝড়ের আভাস

জুন ২৩, ২০২৬

আ. লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জুন ২৩, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.