
মাদ্রাসাগুলো ধর্ষকদের এবং ধর্ষক বানানোর আখড়া বলে মন্তব্য করেছেন নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) সেন্ট্রাল কাউন্সিল সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক শিক্ষার্থী মোশফেক আরা শিমুল।
বামপন্থি এ অ্যাক্টিভিস্টের ভাষ্য, ‘এই দেশের মাদ্রাসা এবং মসজিদের ৯০% শিক্ষক ও ইমাম আদতে ধর্ষক।’
গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
যুবকণ্ঠের পাঠকদের জন্য মোশফেক আরা শিমুলের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
‘মাদ্রাসাগুলো হয়েছে ধর্ষকদের আখড়া এবং ধর্ষক বানানোর আখরা। আগেও লিখেছিলাম আমি শিশু বয়সে প্রথম এ্যাবিউজ হয়েছিলাম বাসায় কোরআন পড়াতে আসা ইমামের কাছে। এবং আমি ধারনা করতে পারি এইদেশের মাদ্রাসা এবং মসজিদের ৯০% শিক্ষক ও ইমাম আদতে ধর্ষক। এদের কাছে আমাদের শিশুরা ধর্ষন করা ছাড়া আর কি শিখবে?’
‘এই দেশে যবে থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসার হয়েছে তবে থেকে সমাজে সম্প্রীতি নষ্ট হয়েছে, অরাজকতা বেড়েছে, নারী নির্যাতন বেড়েছে, ধর্ষন, হত্যা, ধ্বংস বেড়েছে। এবং কোনো সরকারই এদের লাগাম টানার চেষ্টা করে নাই ভোট হারানোর ভয়ে। আমাদের দেশে আদতে ধর্মপ্রান মানুষ নাই আছে ধর্ম ব্যাবসায়ি আর জঙ্গী। ধর্মপ্রান মানুষ থাকলে এতো দুর্নিতী, এতো হত্যা, এতো অরাজকতা হতো না।’
‘সব লেবাসধারি শয়তান। এইসব মাদ্রাসা ব্যাবসা বন্ধ করতে না পারলে স্বয়ং ইশ্বরও এই দেশকে জঙ্গী রাষ্ট্র হওয়া থেকে বাঁচাতে পারবে না। আফগানিস্তানের থেকেও ভয়ংকর হবে এই দেশের অবস্থা।’
