Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»জাতীয়»১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক
জাতীয় নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :জুন ১০, ২০২৬No Comments2 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

সংকটে পড়ে আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ও চলমান আন্দোলনের মধ্যে গত এক সপ্তাহে ব্যাংকটি থেকে গ্রাহকেরা পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত তুলে নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের চাহিদা সামাল দিতে মঙ্গলবার (১০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে ব্যাংকটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে জানান, ইসলামী ব্যাংক ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আমানত কমেছে ৪ হাজার ২০৪ কোটি টাকা। এরপর গত দুই দিনেও আমানত আরও কমেছে বলে জানা যায়।

ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। একই দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এরপর থেকেই ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ এর ব্যানারে চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আন্দোলন চলছে। গ্রাহকদের ‘যৌক্তিক’ আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। টানা কর্মসূচির কারণে অনেক গ্রাহকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় তারা আমানত তুলে নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আজ মঙ্গলবারও (১০ জুন) নবম দিনের মতো কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অংশ নেওয়া গ্রাহকদের অভিযোগ, আর্থিক অনিয়ম ও বিতর্কের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ায় তারা আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

আন্দোলন করা গ্রাহকদের দাবির মধ্যে আরও রয়েছে ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদে না রাখা, ব্যাংক রেজোল্যুশন অ্যাক্ট থেকে ১৮ (ক) ধারা বাতিল, এস আলমের দখল করা মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয়, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়, এস আলম যাতে কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করা, ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

জানা যায়, শেয়ারবাজার থেকে নামে–বেনামে শেয়ার কিনে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখল করে এস আলম গ্রুপ। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটি এস আলমের দখলমুক্ত হয়। এরপর থেকে ব্যাংকটি পরিচালনা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা। ব্যাংকটির ৫০ শতাংশ ঋণ এখন খেলাপি। ব্যাংকটি এখন আর্থিক সংকটে ভুগছে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা চেয়েছে ব্যাংকটি। এর আগেও বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ইসলামী ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নানা ধরনের সুবিধা নিয়েছিল।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

দুর্নীতি সব জায়গায় হয়, দোষ হয় রাজনীতিবিদের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুন ১৫, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ভারতের হাইকমিশনারকে তলব

জুন ১৫, ২০২৬

মন্ত্রীর পেছনে আমরা টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ

জুন ১৫, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.