Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»আন্তর্জাতিক»১২ স্ত্রী, ১০২ সন্তান ও ৫৭৮ নাতি-নাতনি নিয়ে সংসার কৃষক মুসার
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

১২ স্ত্রী, ১০২ সন্তান ও ৫৭৮ নাতি-নাতনি নিয়ে সংসার কৃষক মুসার

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :মে ২২, ২০২৬No Comments3 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

সন্তান জন্মদান ও লালন–পালন এখনকার দম্পতিদের কাছে অনেক সংকীর্ণ হয়ে গেছে। ব্যস্ততা, মানসিক চাপ, স্বাস্থ্য ও বন্ধ্যাত্ব মতো বিভিন্ন কারণে পরিবার পরিকল্পনা জটিল হয়ে গেছে। তাদের জন্য জ্বলন্ত উদাহরণ কৃষক মুসা হাসাহিয়া কাসেরা। আফ্রিকার একটি গ্রামের সাধারণ এই কৃষককে ঘিরে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। কারণ তার পরিবারের আকার যেন ছোটখাটো একটি গ্রামের সমান। কৃষক মুসা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত ‘বিশ্বের সবচেয়ে উর্বর পুরুষ’ হিসেবে। দাবি করা হচ্ছে, তার ১২ জন স্ত্রী, ১০২ সন্তান এবং ৫৭৮–র বেশি নাতি–নাতনি রয়েছে। যেন তার পরিবারের সদস্য দিয়েই গড়ে উঠেছে এক গ্রাম। বিশাল এই পরিবার নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, ইউটিউব ও সোশ্যালমিডিয়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডার মুসা হাসাহিয়ার বয়স প্রায় ৬৮ বছর। সাধারণ জীবনযাপন করলেও তার পরিবার এখন বিশ্বজুড়ে কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। স্থানীয়দের ভাষায়, তার বাড়িতে সবসময়ই উৎসবমুখর পরিবেশ থাকে। পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা এত বেশি যে প্রতিদিন রান্না, খাবার পরিবেশন ও দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনাই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক সময় পুরো পরিবার একসঙ্গে বসে খেতে পারে না। মুসা জানিয়েছেন, প্রথম ও শেষ সন্তানের নাম তার মনে থাকলেও মাঝের অনেক সন্তানের নাম তিনি ভুলে যান। তাই তিনি একটি পুরোনো নোটবুকে সন্তান ও নাতি–নাতনিদের নাম লিখে রাখেন। পরিবার বড় হওয়ার বিষয়ে মুসার জানান, বহু বছর ধরে তিনি পরিবার বড় করার দিকেই মনোযোগ দিয়েছেন। তার স্ত্রীদের অনেককেই অল্প বয়সে বিয়ে করেছিলেন। আফ্রিকার অনেক গ্রামীণ সমাজে আগে বড় পরিবারকে শক্তি ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। কৃষিকাজে বেশি মানুষের অংশগ্রহণও বড় পরিবারের অন্যতম কারণ ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েক দশক আগে আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সন্তান নেওয়া ছিল সাধারণ ঘটনা। তবে বর্তমানে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায় সেই প্রবণতা অনেক কমেছে। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, উগান্ডাসহ সাব–সাহারান আফ্রিকার কিছু দেশে এখনো জন্মহার তুলনামূলক বেশি। তবে ১০২ সন্তানের মতো ঘটনা এখন অত্যন্ত বিরল। এই বিশাল পরিবার পরিচালনা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন মুসা। তিনি জানিয়েছেন, কৃষিকাজ করেই পুরো পরিবার চলে। পরিবারের সদস্যরাও মাঠে কাজ করেন। কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এত মানুষের দায়িত্ব নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই তিনি এখন আর সন্তান চান না। এমনকি স্ত্রীদের পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শও দিয়েছেন। কারণ, খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় দিন দিন বাড়ছে।

মুসার মতে, আগে বিষয়টা সহজ মনে হলেও এখন পরিবার অনেক বড় হয়ে গেছে। মুসার গল্প ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউ আবার রসিকতা করছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, এই মানুষ একাই একটা গ্রাম গড়ে ফেলতে পারেন! আরেকজন মন্তব্য করেছেন, এখন একটা সন্তান বড় করতেই মানুষ হিমশিম খায়, আর উনি ১০২ সন্তান বড় করেছেন! অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় পরিবারে প্রতিটি সন্তানের যথাযথ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আদৌ সম্ভব কি না। বিভিন্ন প্রতিবেদনে মুসার স্ত্রী সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। কোথাও বলা হয়েছে তার ১২ জন স্ত্রী রয়েছে, আবার অনেক ভাইরাল ভিডিও ও সাক্ষাৎকারে ৮ জন স্ত্রীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অধিকাংশ সাম্প্রতিক আলোচনায় ১২ স্ত্রী ও ১০২ সন্তানের তথ্যই বেশি প্রচারিত হচ্ছে।

জনসংখ্যাবিদদের মতে, আধুনিক সময়ে বড় পরিবার শুধু সামাজিক নয়, অর্থনৈতিক চাপও তৈরি করে। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই পরিবার ছোট রাখার প্রবণতা বেড়েছে। কারণ, একটি শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বড় ব্যয়ের প্রয়োজন হয়। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, আফ্রিকার অনেক অঞ্চলে এখনো পরিবারকে শ্রমশক্তি হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে কৃষিনির্ভর সমাজে বেশি সন্তান মানে বেশি কর্মক্ষম মানুষ। আধুনিক বিশ্বে মুসা হাসাহিয়া কাসেরার গল্প নিঃসন্দেহে অবাক করার মতো। এটি শুধু বড় পরিবারের গল্প নয়, বরং আফ্রিকার গ্রামীণ সমাজ, জনসংখ্যা, দারিদ্র্য ও সামাজিক বাস্তবতারও একটি প্রতিচ্ছবি। বিশ্ব যখন ছোট পরিবার ও পরিকল্পিত জীবনের দিকে এগোচ্ছে, তখন উগান্ডার এই কৃষকের পরিবার যেন অন্য এক বাস্তবতার গল্প শোনাচ্ছে। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

মার্কিন হামলায় বুশেহরে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস স্থাপনায় আগুন

জুলাই ৯, ২০২৬

ইরানের মাশহাদে আমেরিকার হামলা

জুলাই ৯, ২০২৬

ইরাকের পর মাশহাদে খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে জনসমুদ্র

জুলাই ৯, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.