Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»রাজনীতি»১৫% করে জমি ভবন অ্যাপার্টমেন্টে কালো টাকা ব্যবহারের সুযোগ
রাজনীতি নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

১৫% করে জমি ভবন অ্যাপার্টমেন্টে কালো টাকা ব্যবহারের সুযোগ

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :জুন ১২, ২০২৬No Comments4 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় আসা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আওয়ামী আমলের মতো সহজ শর্তে অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত ১৫ শতাংশ কর পরিশোধ করে এ সুযোগ গ্রহণ করলে ওই অর্থের উৎস নিয়ে কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে পারবে না বলেও অর্থবিলে বিধান রাখা হয়েছে। তবে প্রদর্শনের আগে কালোটাকা ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রদেয় করের ২০ শতাংশ অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বিভিন্ন মহল থেকে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ না রাখার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত আগামী অর্থবছরের অর্থবিলে এ-সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হবে আগামী ৩০ জুন। অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার যে বিধান রাখা হয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকলে আসছে জুলাই থেকে পরবর্তী জুন মাসের মধ্যে জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার ক্ষেত্রে এ সুযোগ মিলবে।

অর্থবিল অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ পাওয়া যাবে। নির্ধারিত কর পরিশোধ করে এ সুবিধা নিলে অর্থের উৎস কিংবা পরিশোধিত কর নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন তোলা বা তদন্তমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।

বলা হয়েছে, এ আইন বা বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোনো আইনে যাই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তির স্বপ্রণোদিতভাবে প্রদর্শিত বিনিয়োগ বা ক্রয় অথবা প্রাপ্তির উৎস এবং এর বিপরীতে পরিশোধিত করের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন বা কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

বিধি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিন জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্টের প্রকৃত ক্রয়মূল্য দলিলমূল্যের চেয়ে বেশি হলে তিনি ওই অতিরিক্ত অঙ্ককে অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে ঘোষণা করে ব্যক্তি শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য নিয়মিত আয়কর হারে কর পরিশোধ করবেন। অর্থাৎ প্রচলিত আয়কর স্ল্যাব অনুযায়ী কর দিয়ে তিনি ওই অর্থ বৈধ করতে পারবেন।

একই ধরনের সুযোগ রাখা হয়েছে বিক্রেতাদের জন্যও। কোনো করদাতা যদি জমি বা ভবন বিক্রির ক্ষেত্রে দলিলমূল্যের অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকেন, তবে ওই অপ্রদর্শিত অংশের ওপর মূলধনী মুনাফার জন্য প্রযোজ্য হারে কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধ করতে পারবেন। বর্তমানে মূলধনী মুনাফার ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য।

তবে শর্তারোপ করে বলা হয়েছে, কোনো করদাতার বিরুদ্ধে আয়কর আইনের আওতায় অডিট বা অন্য কোনো কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে তিনি যদি স্বপ্রণোদিতভাবে অপ্রদর্শিত আয় ঘোষণা করেন, তাহলে নিয়মিত হারে কর পরিশোধ করেই সুবিধা পাবেন। কিন্তু কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর অর্থ বৈধ করতে চাইলে তাকে নির্ধারিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর দিতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার একটি বিধান রাখা হয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক সমালোচনার মুখে পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও বিভিন্ন সময় কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল ।

এর আগে ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অভিযান চালালেও কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয় এবং সুযোগ না নিলে সর্বোচ্চ ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানার কথাও বলা হয়েছিল। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন। কিন্তু ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেটে ঠিকই ১০ শতাংশ হারে কর দিয়ে ফ্ল্যাট, বাড়ি, পুঁজিবাজার, শিল্প ও ভৌত অবকাঠামো খাতে অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়।

একই পদ্ধতিতে ও হারে কর দিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী সরকারের পুরো সময় কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে কালোটাকা সাদা করতে টাকা পাচারকারীদেরও সুযোগ দেওয়া হয়।

অবশ্য ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে কালোটাকা সাদা করার নতুন নতুন পথ বের করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেউ নতুন শিল্পে বিনিয়োগ করলে কোনো প্রশ্ন করা হবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। এছাড়া ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুঁজি বিনিয়োগকারী নতুন করদাতারা তাদের পুঁজির কমপক্ষে এক-চতুর্থাংশ আয় দেখালে এর উৎস নিয়ে প্রশ্ন করা যাবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরের বাজেটে শাহ এএমএস কিবরিয়া ১০ শতাংশের পরিবর্তে সাড়ে ৭ শতাংশ কর দেওয়াসাপেক্ষে একই সুযোগ রেখে দেন। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে বিএনপি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ না দিলেও ২০০১ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেয়।

তবে বছরের পর বছর কালোটাকার মালিকদের সুযোগ দিলেও অর্থ সাদা হয়েছে কমই। আবাসন ও শেয়ারবাজারের ব্যবসায়ীরা ছাড়া সব ব্যবসায়ী সংগঠন প্রকাশ্যে এর বিরোধিতা করে আসছে। অর্থনীতিবিদরা একে অনৈতিক বলে মনে করেন এবং সৎ করদাতারা ক্ষুব্ধ হন।

 

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

তারেক রহমান মুজিববাদের পথ ধরে মোদির কাছে নজরানা দেওয়ার চেষ্টা করছেন: পাটওয়ারী

জুন ১৫, ২০২৬

সংসদে হিজাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না: হেফাজতে ইসলাম

জুন ১৫, ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা নিয়ে উপকারভোগীরা কী করছেন, যাচাই করা হবে: অর্থমন্ত্রী

জুন ১৫, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.