বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ মির্জা আব্বাস ভাইয়ের স্ট্রোক কোন দুর্ঘটনা নয়, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনের পরেও তার মানসিক অত্যাচার থেকে মির্জা আব্বাস ভাই রেহাই পায় নি। এমনকি হাসপাতালের বিছানায় থাকা অবস্থায় মির্জা আব্বাস ভাইয়ের প্রতিকৃতি বানিয়ে বক্সিং করে এই জঘন্য পাটওয়ারী।’
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, “নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর তীর্যক আক্রমণের কারণে মির্জা আব্বাস ভাইকে মৃত্যুর মুখোমুখি চলে যেতে হয়। জাতীয় সংসদে আজকে তিনি কাঁদোকাঁদো ভাষায় কথা বলেছেন। পুরো সংসদ তার কথা শুনে স্তব্ধ হয়ে যায়। তিনি পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেন নি, নিজে হাঁটতে পারেন না, দেখে পড়লেও ভাষা অস্পষ্ট, এক হাত নাড়াতেও কষ্ট হয়।”
তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে নাতির বয়সী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বেয়াদবি তাকে সহ্য করতে হয়েছে। নির্বাচনের পরেও তার মানসিক অত্যাচার থেকে মির্জা আব্বাস ভাই রেহাই পায় নি। এমনকি হাসপাতালের বিছানায় থাকা অবস্থায় মির্জা আব্বাস ভাইয়ের প্রতিকৃতি বানিয়ে বক্সিং করে এই জঘন্য পাটওয়ারী।”
তিনি আরও বলেন, “অনেকে বলতে পারেন অসুস্থতার জন্য কাউকে দায়ী করা যায় না। এটি সত্য। তবে দিনের পর দিন ব্যক্তি আক্রমণ ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে স্ট্রোকের জন্য অবশ্যই দায়ী করা যায়। যেখানে ঢাকার বুকে দাপটের সাথে মির্জা আব্বাস ভাই রাজনীতি করেছেন, ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে সংগঠিত করেছেন, ১৬ বছর অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন।”
সবশেষে রাশেদ খাঁন বলেন, “সেই তাকে ওসমান হাদী হত্যার সাথে জড়িয়ে অপবাদ ও হাসপাতালে তার উপর মব করা হয়েছে। এগুলো তিনি মেনে নিতে পারেন নি। দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে শেষমেশ স্ট্রোকের কবলে পড়ে আজকের এই করুণ পরিণতি ভোগ করছেন। মির্জা আব্বাস ভাইয়ের স্ট্রোক কোন দুর্ঘটনা নয়, নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীর পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার তিনি।”
