Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»অন্যান্য»রোজায় প্রতিদিন ডাবের পানি নাকি স্যালাইন?
অন্যান্য নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

রোজায় প্রতিদিন ডাবের পানি নাকি স্যালাইন?

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬No Comments2 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের অভ্যাস প্রতিদিন স্যালাইন বা ডাবের পানি পান। কেউ মনে করেন এতে শরীর সতেজ থাকে, কেউ ভাবেন ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ হয়।

রোজার সময়ও অনেকে এই অভ্যাস চালিয়ে যান। তবে প্রশ্ন হল— সুস্থ মানুষের জন্য প্রতিদিন নিয়ম করে স্যালাইন বা ডাবের পানি গ্রহণ করা কি আদৌ নিরাপদ? নাকি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতেই এগুলো উপকারী?

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন, “এই দুই পানীয়-ই চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে খুব কার্যকর। তবে অকারণে প্রতিদিন পান করলে শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম বা পটাসিয়াম জমে বিভিন্ন ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।”
সাধারণ পানিই দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও সেরা- পরামর্শ দেন তিনি।
‘ওরাল স্যালাইন’ বা ‘ওআরএস’ মূলত ডায়রিয়া, বমি বা অতিরিক্ত পানিশূন্যতার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এতে নির্দিষ্ট অনুপাতে সোডিয়াম, গ্লুকোজ, পটাসিয়াম ও সাইট্রেইট থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী এটি পানিশূন্যতা দ্রুত কাটাতে সবচেয়ে কার্যকর।

তবে সুস্থ ব্যক্তি যদি প্রতিদিন অকারণে স্যালাইন পান করেন, তাহলে অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে জমে উচ্চ রক্তচাপ, ফোলাভাব বা হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ পড়তে পারে। যাদের কিডনি অর্থাৎ বৃক্কের সমস্যা আছে বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ।

স্যালাইন ওষুধের মতো— প্রয়োজন হলে উপকারী, অযথা নয়।

অন্যদিকে ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট-সমৃদ্ধ পানীয় হিসেবে জনপ্রিয়। এতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম ও প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। গরমে ঘাম ঝরার পর বা হালকা পানিশূন্যতায় এটি শরীরকে দ্রুত ‘রিহাইড্রেট’ বা আর্দ্র করে।

ডা. নয়ন বলেন, “গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের পর ডাবের পানি তরল ঘাটতি পূরণে কার্যকর। তবে প্রতিদিন বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে পটাসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।”

যাদের কিডনির সমস্যা আছে বা পটাসিয়াম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রেও ডাবের পানির প্রাকৃতিক চিনি হিসাবের মধ্যে রাখা উচিত।

সুস্থ মানুষের জন্য দিনে এক গ্লাস ডাবের পানি সাধারণত নিরাপদ ও উপকারী।

সাধারণ সুস্থ মানুষের জন্য প্রতিদিনের পানীয় হিসেবে বিশুদ্ধ পানিই সবচেয়ে নিরাপদ ও সেরা। গরমে বা রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ধীরে ধীরে পানি পান করা উপকারী।

ডাবের পানি বা হালকা লেবুর শরবত মাঝেমধ্যে পান করা যায়। তবে স্যালাইন প্রতিদিন গ্রহণ করার কোনো প্রয়োজন নেই, যদি না চিকিৎসক পরামর্শ দেন বা পানিশূন্যতার লক্ষণ থাকে।

অতিরিক্ত সোডিয়াম বা পটাসিয়াম শরীরে জমলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের সমস্যা বা কিডনির ওপর চাপ পড়তে পারে। তাই প্রতিদিনের অভ্যাস হিসেবে স্যালাইন বা ডাবের পানির ওপর নির্ভর না করে সাধারণ পানি, ফলের রস বা ঘরোয়া শরবত গ্রহণ করা উপকারী।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের উদ্বেগ

জুলাই ৭, ২০২৬

চাঁদে ফুটবল পাঠাবে নাসা, শর্ত জিততে হবে বিশ্বকাপ

জুলাই ২, ২০২৬

আফগানিস্তানকে রপ্তানিভিত্তিক দেশে পরিণত করতে কাজ করছে ইমারাতে ইসলামিয়া: মাওলানা হানাফী

জুলাই ১, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.