Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

শরিয়াহ সুরক্ষায় বড় আন্দোলনে নামছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :আগস্ট ৩১, ২০২৬No Comments4 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

ভারতের সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব, আইনের শাসন, ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘তাহরিক তাহাফফুজে দস্তুর ও শরিয়াহ’ বা ‘সংবিধান ও শরিয়াহ সুরক্ষা আন্দোলন’ নামে দেশব্যাপী জনআন্দোলন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড।

সোমবার (৩১ আগস্ট) নয়াদিল্লি থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়। আন্দোলনটি ‘মজলিসে আমল’-এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের সংবিধান সব নাগরিকের সমান অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও আইনের সমান প্রয়োগের নিশ্চয়তা দেয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির দুর্বল ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে মুসলমানরা ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চাপ, নিরাপত্তাহীনতা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন।

মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের অভিযোগ, গণপিটুনি, আইনের বাইরে বুলডোজার অভিযান, মসজিদ-মাদরাসা ও দরগাহকে লক্ষ্যবস্তু করা, ওয়াক্ফ সম্পত্তি ও কবরস্থানে অবৈধ দখল, মুসলিম তরুণদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলায় গ্রেপ্তার, ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে মুসলিম পার্সোনাল ল’কে দুর্বল করার প্রচেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এ ছাড়া ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক করা, শিক্ষাব্যবস্থা ও পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে—এমন পদক্ষেপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব পরিস্থিতি শুধু মুসলমানদের সমস্যা নয়; বরং ভারতের সাংবিধানিক পরিচয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অভিন্ন জাতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে।

ঘোষিত আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে ভারতীয় সংবিধান ও আইনের শাসন রক্ষা, ন্যায়বিচার ও মৌলিক নাগরিক অধিকারের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় সংগঠিত ও কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে বিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা ও সহিংসতার পরিবর্তে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এবং অন্যায়-অবিচারের শিকার ব্যক্তিদের আইনি, সামাজিক ও জনসমর্থন দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মুসলমানদের জানমাল, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্থাপনার সুরক্ষা, ইউসিসি বাস্তবায়ন ও ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক করার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন ন্যায়পন্থী ব্যক্তি, সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে একটি অভিন্ন জাতীয় প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে।

আন্দোলনটি সম্পূর্ণ সাংবিধানিক, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও আইনের আওতায় পরিচালিত হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো কর্মসূচির কারণে যেন সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, সহিংসতা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

আন্দোলনের কর্মসূচির মধ্যে দেশের বিভিন্ন বড় শহরে শান্তিপূর্ণ জনসমাবেশ ও প্রতিবাদ, মুসলমানদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ঘটনা, সাংবিধানিক লঙ্ঘন ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান ও ওয়াক্ফ সম্পত্তি সুরক্ষায় আইনি অধিকার ও করণীয় নিয়ে একটি আইনি নির্দেশিকা প্রকাশের কথা বলা হয়েছে।

গণপিটুনি বা ‘মব লিঞ্চিং’ নিয়েও একটি বিস্তারিত ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে। এতে আইনের শাসন, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্ব এবং ভুক্তভোগীদের আইনি অধিকার তুলে ধরা হবে।

প্রতিটি রাজ্যে রাজ্যপাল এবং প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে একটি দাবিনামা পেশ করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা, বিদ্বেষমূলক অপরাধ বন্ধ, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত, অবৈধ বুলডোজার অভিযান ঠেকানো এবং ওয়াক্ফ সম্পত্তি ও ধর্মীয় স্থাপনা সুরক্ষার দাবি থাকবে।

এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলন, মিডিয়া ব্রিফিং, ভিডিও ডকুমেন্টেশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালানো হবে। বিশেষ করে এক্স (সাবেক টুইটার)-এ সমন্বিত হ্যাশট্যাগ প্রচারণার পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নয়াদিল্লিতে বড় জাতীয় সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়, ধর্ম ও মতাদর্শের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হবে। ওই সমাবেশ থেকে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচিও ঘোষণা করা হবে।

আন্দোলনের ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামী হিন্দের আমির ও অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সহসভাপতি সৈয়দ সাদাতুল্লাহ হুসাইনি, বোর্ডের সহসভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আলী মুহসিন তকভি, মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ফজলুর রহিম মুজাদ্দিদি, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা সাইয়্যেদ মাহমুদ আসাদ মাদানি, বোর্ডের সম্পাদক মাওলানা ড. ইয়াসিন আলী উসমানি বদায়ুনি, বোর্ডের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আরিফ মাসুদ, মাওলানা মুহাম্মদ আবু তালেব রহমানি এবং বোর্ডের মুখপাত্র ড. সৈয়দ কাসিম রাসুল ইলিয়াস।

বিবৃতিতে ভারতের সংবিধান, গণতন্ত্র, ধর্মীয় স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও জাতীয় ঐক্য রক্ষায় দেশের ন্যায়বিচারপন্থী, গণতন্ত্রপন্থী ও শান্তিপ্রিয় নাগরিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

সিরিয়ায় ইসরাইলের হামলা নিয়ে ওয়াশিংটন-আঙ্কারা সম্পর্কে টানাপোড়েন

আগস্ট ৩১, ২০২৬

ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের শিক্ষার বিষয়টি সমাধানে কাজ চলছে : মাওলানা মুজাহিদ

আগস্ট ৩১, ২০২৬

৩ দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৬ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার

আগস্ট ৩০, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.