দেশের ইতিহাসে প্রথমবার মাথাপিছু আয় ৩ লাখ টাকা ছাড়িয়েছে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেও দেশে গড় মাথাপিছু আয় বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে দেশে মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৭৮৪ ডলার। এটি চলতি অর্থবছরের সাময়িক হিসাব। প্রতি ডলারের দাম ১০৯ টাকা ৯৭ পয়সা হিসাবে মাথাপিছু গড় আয় ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা। সোমবার রাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিএস। প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশ করা পরিসংখ্যানে চলতি অর্থবছরের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মাথাপিছু আয়—এসবের সাময়িক হিসাব দেওয়া হয়েছে। বিবিএসের হিসাবে, গত অর্থবছরে (২০২২-২৩) মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৪৯ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে এই আয় ৩৫ ডলার বেড়েছে। মাথাপিছু আয়…
Author: নিউজ ডেস্ক :
ছোট ভাই অকস্মাৎ পুকুরে পড়ে যায়। তাকে বাঁচানোর জন্য পানিতে লাফ দেয় বড় বোন। কিন্তু দুজনের কেউই আর পানি থেকে উঠতে পারেননি। অবশেষে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ভাই-বোনের। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কামালপুর গ্রামে নিহত বোন নাফিজা মোবারক মাদিহার বয়স ৮ ও ভাইয়ের বয়স মো. ওমরে বয়স ৫। নিহত নাফিজা স্থানীয় ফাতেমা আইডিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ও ওমর প্লে শাখার ছাত্র ছিল। তারা কামালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী রাজু আহমেদের সন্তান। ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খুরশিদ আলম জানান, ভাইবোনের মৃত্যুর ঘটনাটি মর্মান্তিক। একটি পরিবারকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিলো দুই শিশু।
দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফরিদপুরের নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়নের রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি বুথে এক ঘণ্টায় মাত্র একটি ভোট পড়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম দেখা গেছে। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে সরেজমিনে ওই কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোটারদের লাইনের কথা মাথায় রেখে রশি দিয়ে তিনটি সারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দ্বায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরা অলস সময় পার করছে। মাঝেমধ্যে দুই একজন ভোটার এলে তাদেরকে ভোট কক্ষ দেখিয়ে দিচ্ছেন। এক পুলিশ সদস্যকে বসে বসে ইউটিউবে মোশাররফ করিমের নাটকও দেখতে দেখা গেছে। তালমা আমিনুদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তালমা ইউনিয়নের পূর্ব সদরবেড়া গ্রামের বাসিন্দা খায়েরউদ্দীন…
চোর ধরার কৌশল নিয়ে ইমাম আবু হানিফা (রহ) এর একটি কাহিনী আছে। আজকের এই গল্পে চোর ধরার কৌশল সম্পর্কে একটি পন্থা শিখব। তাহলে আসুন জেনে নেই চোর ধরার কৌশলটি কি? ইমাম আবু হানিফা (রঃ) এর যুগে এক ব্যক্তির বাড়ীতে চুরি হল। চুরি করার সময় বাড়ীর মালিক চোরকে চিনে ফেলতেই চোর ধমকি দিয়ে মালিককে বলল, “যদি এই চুরির ব্যাপারে আমার নাম কাউকে বলে দাও তবে তোমার বউ তালাক হবে- এই কথা তুমি মুখে উচ্চারণ করে বল, নচেৎ তোমাকে এখনই প্রাণে বধ করব। মালিক প্রাণের-ভয়ে বলল, “যদি আমি চুরির ব্যাপারে তোমার নাম কাউকে বলে দেই তবে আমার স্ত্রী তিন তালাক হবে।” এই…
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে শোকে ভারী হয়ে উঠেছে ইরানের বাতাস। ইতোমধ্যে পাঁচদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে ইরান জুড়ে। এরই মধ্যে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির দাফন আগামীকাল মঙ্গলবার তাবরিজে অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদসংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি তার নিহত সফরসঙ্গীদের দাফনও সম্পন্ন হবে সেখানে। তার আগে, মরদেহগুলো তাবরিজের ফরেনসিক বিভাগে রাখা হবে। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনি জানিয়েছেন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মোখবারকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পাঁচ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেন তিনি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আমি মেয়ের হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত চার বছরে যে পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে তা বিগত ৪০ বছরেও হয়নি। গতকাল রোববার (১৯ মে) ডিএসসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ তাপস এ কথা বলেন। দায়িত্বভার গ্রহণের চার বছর অতিক্রম উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ডিএসসিসি। মেয়র তাপস বলেন, ‘করোনা মহামারির সংকটকালে আমি দায়িত্বভার গ্রহণ করি। দায়িত্বভার গ্রহণের পর মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ঢেলে সাজাতে আমরা সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেই। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২০২০ সালের ৬ জুন আমরা বছরব্যাপী সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করি। বর্তমানে সূচি অনুযায়ী সারাবছরই…
হেফাজত নেতা শায়খুল হাদিস মাওলানা মামুনুল হক কারামুক্তির পর এই প্রথম চট্টগ্রাম সফরে যাওয়ায় শায়খুল হাদীস পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেয়া হয়। আজ সোমবার (২০মে) সকালে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। এসময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনকেও দেখা যায়। জানা যায়, চট্টগ্রামের একটি মামলার আজ হাজিরা থাকায় তিনি চট্টগ্রামে যান। এছাড়াও বেশকিছু মুরুব্বি আলেমের সাথে দেখা করে দোয়া নিবেন বলেও জানা গেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও তার সফরসঙ্গীদের মরদেহ উদ্ধারের পর দেশটির উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সোমবার ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (আইআরসিএস) প্রধানের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা। সোমবার দুর্ঘটনার প্রায় ১৬ ঘণ্টা পর ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মেলে। এরপর দেশটির বিভিন্ন বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আবদোল্লাহিয়ান ও পূর্ব আজারবাইজানের গভর্নর মালেক রহমাতি কেউই আর বেঁচে নেই। তার আগে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে হেলিকপ্টারটির যাত্রীদের জীবিত থাকার কোনো চিহ্ন খুঁজে পাননি তারা। ফলে ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসি ও সফরসঙ্গীরা মারা গেছেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা…
ইব্রাহিম রাইসি। ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট তিনি। একাধারে রাজনীতিবিদ ও বিচারক রাইসি বিশ্ব রাজনীতিতেও অন্যতম প্রভাবশালী নেতাদের একজন। ইব্রাহিম রাইসি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও পরিচিত। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার কারণেই দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা কমেছে। তিন বছর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ইব্রাহিম রাইসিকে মনে করা হয় একদিন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হবেন। রোববার (১৯ মে) আজারবাইজান সীমান্তবর্তী এলাকায় জলাধার প্রকল্প উদ্বোধন শেষে ফেরার পথে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ওই হেলিকপ্টারে তার সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও ছিলেন। রাইসিকে নিয়ে…
প্রিয় মাতৃভূমির জন্য এমন কোনো পদক্ষেপ নেই যা নেননি ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। যার কারণে চিরশত্রু ইসরায়েল এমনকি পশ্চিমাদের চক্ষু শূল ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যের জাঁদরেল এই নেতা। আমেরিকার কঠোর নিষেধাজ্ঞার পরও কখনো মাথা নত করেননি। রাজি হননি আপোষেও। তাইতো হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার খবরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন মার্কিন সিনেটর রিক স্কট। পোস্টে তিনি বলেন, ‘তাকে (রাইসি) ভালোবাসা বা সম্মান নয়, এমনকি কেউ তাকে মিসও করবে না। যদি তিনি মারা যান, আমি সত্যিই আশা করি ইরানি জনগণ তাদের দেশকে খুনি স্বৈরশাসকের হাত থেকে ফিরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে।’ এই উচ্ছ্বাস শুধু মার্কিন সিনেটরেরই নয়, যেন ইসরায়েল-আমেরিকার প্রতিচ্ছবি। তাই অনেকে প্রশ্ন তুলছেন এটি নেহাত দুর্ঘটনা নাকি…